HeadAd

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫

কি লিখবেন

মানুষ মরনশীল। এজন্য তার মধ্যে এই সত্যটি একটি বোধন হয়ে বা সহজাত বোধ হয়ে সঙ্গে থাকে আর সেটা হচ্ছে অনাগ্রহ।অথবা killing বা অন্যকথায় বলা যায় যে তার নিজস্ব নির্বাচিত বিষয় না হলে তার প্রতি উপেক্ষা পোষন করা অথবা তার উপর থেকে সকল আগ্রহ হারিয়ে ফেলা। এধরনের লোক অবশ্যই বুদ্ধিমান কিন্তু সঠিক পথটি কি সে সম্বন্ধে সুস্পস্ট ধারনার অভাবে এরা বুদ্ধির মারাত্মক অপব্যাবহার নিয়েই পৃথিবীতে বেঁচে আছে।এই কারনেই অনেকেই একথাটাই মানবেন না যে ব্যাপক ভাবে বুদ্ধির একটি সঙ্কট থাকতে পারে কোন কোন সমাজে । 

তাই এই পরিপ্রেক্ষিতেই আপনার অভিজ্ঞ চোখে মনোসংযোগের বিষয়বস্তু গুলিকে একত্রিত করে বা প্রতিক্রিয়াশীল মনের বিক্ষিপ্ত ধারনা গুলোর মধ্যে সংযোগ সূ্ত্র স্থাপনের মাধ্যমে লিখে যেতেই হবে। মনের আয়নায় নিজের চোখেই নিজেকে দেখবেন এবং সমাজ সংস্কৃতি অথবা বিজ্ঞান এসবের উপর আমরা কতটা ঋনী আছি সেটাও জানতে পারবেন তখন। পরের মূল্যায়ন করার পূর্বে নিজের মনের চোখেই নিজেকে জেনে নেয়া উচিৎ সকলেরই। এটাই লেখালেখির আসল উদ্দেশ্য।

কেন লিখবেন

 মানব সভ্যতাই হচ্ছে একটি উপন্যাস যা কখনই লেখা হয়নি। আমরা যা কিছুই পড়ি তার সবই কিন্তু বিদ্যান ব্যাক্তির দ্বারা লিখা ছিলনা অথবা কোন তথাগত বুদ্ধ এসে লিখে ফেলেন নাই। মানব সভ্যতা একটি আধুনিক ধারনা হলেও সভ্যতার বীজ অলিখিত অবস্থায় ছিলো বহুকাল। তবে হয়তো এই প্রশ্নই মনে জাগবে যে তাহলে কে বা কারা সদূর অতীতে সভ্যতার বীজ বপন করেছিল।

আমরা এখন প্রত্যেক প্রত্যুষে ঘুম ভাঙ্গলে নিজেকে প্রশ্ন করিনা নিজে আত্মপরিচয় জানতে। এখনকার সচেতনতা ইউরোপের মধ্যযুগের ফেয়ারি টেল বা পরী ডাইনীবুড়ি, ওয়ারউলফ, ড্রাকুলা অধ্যায়কে অনেক পিছে ফেলে রেখে এসেছে। আমাদের সকল জানা অজানা জ্ঞানের অনেক অনেক বাহিরের এই সচেতনতাই হচ্ছে এই আধুনিকতা। এখানে বুঝার মত এবং বোঝানোর জন্য উপাদনের কোন অভাব নাই এটা আমরা সবাই কম বেশি জানি। রবিন হুডের ভালোয় আর মন্দে মিশেল চরিত্র কিংবা শার্লক হোমস আমাদের শিশুকালের সময়টা অনাবিল আবেশে ভরে দিতো। কোনকিছুর চুলচেরা বিশ্লেষন কিভাবে করতে হয় সেটা শিখতে না পারলেও একটি বিশ্লেষনী মনন তৈরীতে এসব বই সামর্থ যুগিয়েছে অবশ্যই।

জীবন একটি সূচনা নয় নয় কোন অবতারনিকা। জীবন হচ্ছে উপলব্ধি। একগুচ্ছ উপলব্ধির টানাপোড়েনই হল মানুষের জীবন। আজকে যে উপলব্ধিটুকু খুব গুরুত্বপূর্ন মনে হবে আগামী দিনে সেটাই বাসী হয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের উপলব্ধির কাছে আমরা সবাই কমবেশি ঋনি। লেখক মাত্রেই উপলব্ধির ধারনা সরবরাহ করে বলে বিবেচিত হয়। কেননা লেখকের নিস্করুন ঘটনার বর্ননা নানা ধারনার সঙ্গে পরিচিত করে অবশেষে পাঠকের মনে একটি দারুন উপলব্ধির জন্ম দেয় মনে। এটা পরোক্ষ অভিজ্ঞতা হলেও এবং অদৃশ্য ভবিষৎকে না জানলেও অবশ্যই সামগ্রিক ভবিতব্যের সম্বন্ধে পরিস্কার চিত্র ধারন করতে সক্ষম মনের মধ্যে প্রশান্তি আনতে অনেক বেশী ভূমিকা রাখে।

The right way of handling our intuitions.

The right way of handling our intuitions. There are words on the counter, and this is like the action of a brown fox jumping out, what is se...