যারা লেখালেখিতে নিয়মিত নন অথবা একদম যারা নুতন তাদের পক্ষে বিষয়বস্তু নির্বাচন একটি জটিল সমস্যা। লেখার ইচ্ছা রাখেন অথচ কি নিয়ে লিখবেন এটা ভাবতে ভাবতেই গলদঘর্ম হয়ে পড়েন এমন অবস্থা। এনারাই আসলে নতুন প্রজন্মের লেখক হতে পারেন। সারাদিন শ্রোতা হিসাবে যতটুকু সময় অতিবাহিত করছেন আপনি সেসব সময়ের অন্ততঃ একটি অংশ লেখালেখিতে লাগানোর প্রয়োজন আছে কিনা এই সিদ্ধান্তটি নিতে হবে আপনাকে প্রথমেই। এভাবে কিছুদিন অতিবাহিত হতেই দেখবেন যে আপনার বিসয়বস্তু নিজেই এসে হাজির হবে। মানুষ যেহেতু খুব বিচিত্র তাই লেখালেখির ক্ষেত্রটিতেও বৈচিত্র থাকবে। অনেকেই ভাবেন যে লেখালেখি একটি সিরিয়াস বিষয়। ব্যাপারটা ঠিক তার উল্টো।তবে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে সিরিয়াস যারা সেসব ব্যাক্তিদের লেখনীতে সিরিয়াসনেস থাকতেই পারে।
কোন লেখাই পারফেক্ট লেখা হয়ে আসেনা। এটা একটা আর্ট। কারন আপনি যেখানে মাইনিং করছেন সেটা আপনারই মন। সকল ধরনের মানষিকতার দ্বন্দ সংঘাতের মধ্যেই জীবনের চাকা ঘুরে চলেছে প্রতিনিয়ত তা বুঝে শুনে এবং এটাই স্বাভাবিক বলে ধরে নিয়ে আগে বিষয়বস্তুর উপর পরিস্কার ধারনা লাভ করে নিন।অতঃপর বাছাইকৃত একটি সূচীপত্র তৈরী করে নিলে আদতে আপনি উপকৃতই হবেন। তবে আপনার লেখা কখনই সূচীপত্রের উপর সীমিত রাখবেন না। সূচীনির্ভর লেখার কৃত্তিমতা চোখে পড়ে। চেস্টা করবেন ইনডেক্স ভেঙ্গে আরো নতুন কিছুর সংযোজন করতে।
লেখালখির জগতে সময়ের ধারনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। একজন লেখককে সময় সচেতন হতেই হবে। লেখক হবার এটা প্রধান শর্ত। শিশুর জীবনে সময়ের কোন ধারনা থাকে না।সময়ের ধারনা বয়ঃপ্রাপ্তির অনুসঙ্গ। বার্ধক্যে সময়ের ধারনায় একটি পরিনতি আসে।একজন লেখককে খুব মনোযোগ দিয়ে এসব পর্যবেক্ষন করতে হবে কেননা মনের মধ্যে কোন সংশয় নিয়ে লিখতে বসলে একদিন না একদিন সেটা মহা বিড়ম্বনার কারন হতে পারে। তাই একজন লেখককে পাঠক হতেই হয় কিন্তু সব পাঠকই লেখক হন না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন