প্রতিটা কাজেরই শুরুটাই হচ্ছে আসল। আপনি ট্রেনেই চড়েন কিংবা বাসে গন্তব্যই উদ্যেশ্য। সঠিক বাহন আপনাকে গন্ত্যব্যে পৌঁছাবেই এ নিয়ে ভাবার অবকাশ নাই।প্রথমেই একটি কথা দৃড়ভাবে মনের মধ্যে, ধারনার গভীরে থাকতে হবে। আমরা প্রতিদিন যেসব কথা বলি সেসব কথা সবসময়ই যে শুধু গতানুগতিক কথা হয় তা নয়।প্রত্যেক শব্দের ভাঁজে ভাঁজেই লুকিয়ে আছে অনেক অতিন্দ্রীয় অনুভব ও উপলব্ধি। আমাদের ব্যাবসা বানিজ্য, চাকরী বাকরী কোন কিছুই চূড়ান্ত সাফল্য নয় এই বোধ ধারন করা এবং সকল গতানুগতিকতার বাইরেও নানান উদ্জাপন এবং আয়োজন আসছে তার সবই হচ্ছে এই অতিন্দ্রীয় উপলব্ধির অংশ এবং একটি সার্বিক উপলব্ধি ব্যাতিত আলাদা কিছু না।
বাইরে থেকে কেউ কেউ হয়তো অনায়াস উপভোগ করতে পারে এসব। আর কেউ এমনও আছে যারা এই অতীন্দ্রিয়তার অনেকখানি অনুভব করতে সক্ষম হয়।মানব শ্রেনীর দ্বিতীয় পর্যায়ের এরা খুব নৈর্ব্যক্তিক মানুষ। একই আকাশের নীচে এই দুই শ্রেনীর মানুষেরা একই প্রকৃতির হয় না। এরা আসলে দুইটি ভিন্ন মেরুতে বসবাস করে। লেখকের অবস্থান হচ্ছে এদের মাঝামাঝি থাকা যেন এই দুই মেরুর মাঝামাঝি একটা জমীন নির্দৃস্ট হতে পারে যেটা সবারই নিরাপদ বসবাসের জন্য উপযোগী। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই লেখাজোখা শুরু করা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন