HeadAd

মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫

পাঠকের কাছে লেখকের অবস্থান কি রকমের গড প্লে রোল হবে

 বক্তা আর লেখকের অবস্থান একরকম নয়। বক্তার কাছে শ্রোতারা অনেক কাছাকাছি অবস্থানের। পাবলিক বা জনগন তারা সর্বদা ভাই ও বন্ধু সম্বোধনের আদর্শ অথবা এর দুটোই। কিন্তু লেখকের অবস্থান পাবলিক থেকে অনেক দূরে। আলোকিত জগতের বাসিন্দারা মনে করেন একজন লেখক গডের মতই নাকি পাঠককে নিয়ন্ত্রন করার উপায় জানেন। কিন্তু আসলে এটা লেখালেখির একটি কৌশল।পাঠকের মনন দখল করে নেয়া লেখকের পার্সপেক্টিভ। এছাড়াও লেখকের অবস্থান বর্ননার আরও কিছু কৌশল আছে।

কি কারনে আমরা এ্যন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির বাসিন্দা না হয়ে মিল্কী ওয়ে গ্যালাক্সির অধিবাসী হলাম

 এর জন্য কি ধরনের অসংলগ্নতা কিংবা অপূর্নতা রয়েছে চিন্তার ক্ষেত্র প্রসারিত করনে সেটা সম্বন্ধে সম্যক ধারনা অবশ্যই থাকতে হবে। এই বিষয়টিই প্রত্যেক নতুন লেখকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। প্রানায়মে অংশগ্রহন করলেই মোক্ষ লাভ হবে না। তাহলে মধুকরদের গুনগুনানি খুব সঙ্গত কারনেই ঘটে চলতো।

আমরা তো পৃথিবীতে শুধু ভাইরাস ব্যাকটেরীয়া হয়েও থাকতে পারতাম। এটা বুঝতে হবে যে প্রানী জগতের মধ্যে মানুষেরই রয়েছে নির্বাচিত করে নেয়ার মন।রয়েছে  মতামত দেবার মত প্রানীজগতের চেয়েও উন্নততর একটি স্নায়ুতন্ত্র। আরো রয়েছে শত প্রতিকূলতায় টিকে থাকার মত প্রাজ্ঞতা এবং বিচার বিশ্লেষনের সক্ষমতা। এই তিনটি সক্ষমতার সবগুলি একত্রিত করলেও আমাদের মধ্যে তৃতীয় নয়ন তৈরী হচ্ছে না বরং ক্ষমতার লড়াই ও দ্বন্দ সংঘাতই বেড়েছে দিনে দিনে।

নানান প্রতিকূলতায় টিকে থাকার একটি রেটিফিকেশন Ratification আজকাল হাটে বাজারে সবখানে সরবে আলোচনার প্রসঙ্গ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ের এই পরির্তনটিও বেশ চোখে পড়ার মত। এর মূল জানা নাই তবে যতই দিন গড়াচ্ছে ততই যেন একটি স্যান্ডউইচ সভ্যতায় আমাদের জীবনযাপনের অবস্থানটি আরও পরিস্কার হচ্ছে।


বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫

বিষয়বস্তু নির্বাচন কি সঠিক হতেই হবে

 যারা লেখালেখিতে নিয়মিত নন অথবা একদম যারা নুতন তাদের পক্ষে বিষয়বস্তু নির্বাচন একটি জটিল সমস্যা। লেখার ইচ্ছা রাখেন অথচ কি নিয়ে লিখবেন এটা ভাবতে ভাবতেই গলদঘর্ম হয়ে পড়েন এমন অবস্থা। এনারাই আসলে নতুন প্রজন্মের লেখক হতে পারেন। সারাদিন শ্রোতা হিসাবে যতটুকু সময় অতিবাহিত করছেন আপনি সেসব সময়ের অন্ততঃ একটি অংশ লেখালেখিতে লাগানোর প্রয়োজন আছে কিনা এই সিদ্ধান্তটি নিতে হবে আপনাকে প্রথমেই।  এভাবে কিছুদিন অতিবাহিত হতেই দেখবেন যে আপনার বিসয়বস্তু নিজেই এসে হাজির হবে। মানুষ যেহেতু খুব বিচিত্র তাই লেখালেখির ক্ষেত্রটিতেও বৈচিত্র থাকবে। অনেকেই ভাবেন যে লেখালেখি একটি সিরিয়াস বিষয়। ব্যাপারটা ঠিক তার উল্টো।তবে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে সিরিয়াস যারা সেসব ব্যাক্তিদের লেখনীতে সিরিয়াসনেস থাকতেই পারে।

কোন লেখাই পারফেক্ট লেখা হয়ে আসেনা। এটা একটা আর্ট। কারন আপনি যেখানে মাইনিং করছেন সেটা আপনারই মন। সকল ধরনের মানষিকতার দ্বন্দ সংঘাতের মধ্যেই জীবনের চাকা ঘুরে চলেছে প্রতিনিয়ত তা বুঝে শুনে এবং এটাই স্বাভাবিক বলে ধরে নিয়ে আগে বিষয়বস্তুর উপর পরিস্কার ধারনা লাভ করে নিন।অতঃপর বাছাইকৃত একটি সূচীপত্র তৈরী করে নিলে আদতে আপনি উপকৃতই হবেন। তবে আপনার লেখা কখনই সূচীপত্রের উপর সীমিত রাখবেন না। সূচীনির্ভর লেখার কৃত্তিমতা চোখে পড়ে। চেস্টা করবেন ইনডেক্স ভেঙ্গে আরো নতুন কিছুর সংযোজন করতে।

লেখালখির জগতে সময়ের ধারনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। একজন লেখককে সময় সচেতন হতেই হবে। লেখক হবার এটা প্রধান শর্ত। শিশুর জীবনে সময়ের কোন ধারনা থাকে না।সময়ের ধারনা বয়ঃপ্রাপ্তির অনুসঙ্গ। বার্ধক্যে সময়ের ধারনায় একটি পরিনতি আসে।একজন লেখককে খুব মনোযোগ দিয়ে এসব পর্যবেক্ষন করতে হবে কেননা মনের মধ্যে কোন সংশয় নিয়ে লিখতে বসলে একদিন না একদিন সেটা মহা বিড়ম্বনার কারন হতে পারে। তাই একজন লেখককে পাঠক হতেই হয় কিন্তু সব পাঠকই লেখক হন না।

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫

কিভাবে লিখতে হবে

 প্রতিটা কাজেরই শুরুটাই হচ্ছে আসল। আপনি ট্রেনেই চড়েন কিংবা বাসে গন্তব্যই উদ্যেশ্য। সঠিক বাহন আপনাকে গন্ত্যব্যে পৌঁছাবেই এ নিয়ে ভাবার অবকাশ নাই।প্রথমেই একটি কথা দৃড়ভাবে মনের মধ্যে, ধারনার গভীরে থাকতে হবে। আমরা প্রতিদিন যেসব কথা বলি সেসব কথা সবসময়ই যে শুধু গতানুগতিক কথা হয় তা নয়।প্রত্যেক শব্দের ভাঁজে ভাঁজেই লুকিয়ে আছে অনেক অতিন্দ্রীয় অনুভব ও উপলব্ধি। আমাদের ব্যাবসা বানিজ্য, চাকরী বাকরী কোন কিছুই চূড়ান্ত সাফল্য নয় এই বোধ ধারন করা এবং সকল গতানুগতিকতার বাইরেও নানান উদ্জাপন এবং আয়োজন আসছে তার সবই হচ্ছে এই অতিন্দ্রীয় উপলব্ধির অংশ এবং একটি সার্বিক উপলব্ধি ব্যাতিত আলাদা কিছু না। 

বাইরে থেকে কেউ কেউ হয়তো অনায়াস উপভোগ করতে পারে এসব। আর কেউ এমনও আছে যারা এই অতীন্দ্রিয়তার অনেকখানি অনুভব করতে সক্ষম হয়।মানব শ্রেনীর দ্বিতীয় পর্যায়ের এরা খুব নৈর্ব্যক্তিক মানুষ। একই আকাশের নীচে এই দুই শ্রেনীর মানুষেরা একই প্রকৃতির হয় না। এরা আসলে দুইটি ভিন্ন মেরুতে বসবাস করে। লেখকের অবস্থান হচ্ছে এদের মাঝামাঝি থাকা যেন এই দুই মেরুর মাঝামাঝি একটা জমীন নির্দৃস্ট হতে পারে যেটা সবারই নিরাপদ বসবাসের জন্য উপযোগী। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই লেখাজোখা শুরু করা।

কি লিখবেন

মানুষ মরনশীল। এজন্য তার মধ্যে এই সত্যটি একটি বোধন হয়ে বা সহজাত বোধ হয়ে সঙ্গে থাকে আর সেটা হচ্ছে অনাগ্রহ।অথবা killing বা অন্যকথায় বলা যায় যে তার নিজস্ব নির্বাচিত বিষয় না হলে তার প্রতি উপেক্ষা পোষন করা অথবা তার উপর থেকে সকল আগ্রহ হারিয়ে ফেলা। এধরনের লোক অবশ্যই বুদ্ধিমান কিন্তু সঠিক পথটি কি সে সম্বন্ধে সুস্পস্ট ধারনার অভাবে এরা বুদ্ধির মারাত্মক অপব্যাবহার নিয়েই পৃথিবীতে বেঁচে আছে।এই কারনেই অনেকেই একথাটাই মানবেন না যে ব্যাপক ভাবে বুদ্ধির একটি সঙ্কট থাকতে পারে কোন কোন সমাজে । 

তাই এই পরিপ্রেক্ষিতেই আপনার অভিজ্ঞ চোখে মনোসংযোগের বিষয়বস্তু গুলিকে একত্রিত করে বা প্রতিক্রিয়াশীল মনের বিক্ষিপ্ত ধারনা গুলোর মধ্যে সংযোগ সূ্ত্র স্থাপনের মাধ্যমে লিখে যেতেই হবে। মনের আয়নায় নিজের চোখেই নিজেকে দেখবেন এবং সমাজ সংস্কৃতি অথবা বিজ্ঞান এসবের উপর আমরা কতটা ঋনী আছি সেটাও জানতে পারবেন তখন। পরের মূল্যায়ন করার পূর্বে নিজের মনের চোখেই নিজেকে জেনে নেয়া উচিৎ সকলেরই। এটাই লেখালেখির আসল উদ্দেশ্য।

কেন লিখবেন

 মানব সভ্যতাই হচ্ছে একটি উপন্যাস যা কখনই লেখা হয়নি। আমরা যা কিছুই পড়ি তার সবই কিন্তু বিদ্যান ব্যাক্তির দ্বারা লিখা ছিলনা অথবা কোন তথাগত বুদ্ধ এসে লিখে ফেলেন নাই। মানব সভ্যতা একটি আধুনিক ধারনা হলেও সভ্যতার বীজ অলিখিত অবস্থায় ছিলো বহুকাল। তবে হয়তো এই প্রশ্নই মনে জাগবে যে তাহলে কে বা কারা সদূর অতীতে সভ্যতার বীজ বপন করেছিল।

আমরা এখন প্রত্যেক প্রত্যুষে ঘুম ভাঙ্গলে নিজেকে প্রশ্ন করিনা নিজে আত্মপরিচয় জানতে। এখনকার সচেতনতা ইউরোপের মধ্যযুগের ফেয়ারি টেল বা পরী ডাইনীবুড়ি, ওয়ারউলফ, ড্রাকুলা অধ্যায়কে অনেক পিছে ফেলে রেখে এসেছে। আমাদের সকল জানা অজানা জ্ঞানের অনেক অনেক বাহিরের এই সচেতনতাই হচ্ছে এই আধুনিকতা। এখানে বুঝার মত এবং বোঝানোর জন্য উপাদনের কোন অভাব নাই এটা আমরা সবাই কম বেশি জানি। রবিন হুডের ভালোয় আর মন্দে মিশেল চরিত্র কিংবা শার্লক হোমস আমাদের শিশুকালের সময়টা অনাবিল আবেশে ভরে দিতো। কোনকিছুর চুলচেরা বিশ্লেষন কিভাবে করতে হয় সেটা শিখতে না পারলেও একটি বিশ্লেষনী মনন তৈরীতে এসব বই সামর্থ যুগিয়েছে অবশ্যই।

জীবন একটি সূচনা নয় নয় কোন অবতারনিকা। জীবন হচ্ছে উপলব্ধি। একগুচ্ছ উপলব্ধির টানাপোড়েনই হল মানুষের জীবন। আজকে যে উপলব্ধিটুকু খুব গুরুত্বপূর্ন মনে হবে আগামী দিনে সেটাই বাসী হয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের উপলব্ধির কাছে আমরা সবাই কমবেশি ঋনি। লেখক মাত্রেই উপলব্ধির ধারনা সরবরাহ করে বলে বিবেচিত হয়। কেননা লেখকের নিস্করুন ঘটনার বর্ননা নানা ধারনার সঙ্গে পরিচিত করে অবশেষে পাঠকের মনে একটি দারুন উপলব্ধির জন্ম দেয় মনে। এটা পরোক্ষ অভিজ্ঞতা হলেও এবং অদৃশ্য ভবিষৎকে না জানলেও অবশ্যই সামগ্রিক ভবিতব্যের সম্বন্ধে পরিস্কার চিত্র ধারন করতে সক্ষম মনের মধ্যে প্রশান্তি আনতে অনেক বেশী ভূমিকা রাখে।

The right way of handling our intuitions.

The right way of handling our intuitions. There are words on the counter, and this is like the action of a brown fox jumping out, what is se...